পঞ্চম শ্রেণী ।দারোগাবাবু এবং হাবু । কবিতার প্রশ্ন ও উত্তর।
১. ঠিক কথাটি বেছে নিয়ে বাক্যটি আবার লেখো :
১.১ হাবু থানায় গিয়েছিল (বেড়াতে / অভিযোগ জানাতে / চিকিৎসা করাতে / হারানো পাখি খুঁজতে)।
উত্তর: হাবু থানায় গিয়েছিল অভিযোগ জানাতে।
১.২ বাড়িতে পোষা হয় এমন পাখির মধ্যে পড়ে না (টিয়া / পায়রা / ময়না / কোকিল)।
উত্তর: বাড়িতে পোষা হয় এমন পাখির মধ্যে কোকিল পড়ে না।
১.৩ হাবু ও তার দাদাদের পোষা মোট পশু-পাখির সংখ্যা (১৭৫ / ১৫০ / ১৭০ / ২৫)।
উত্তর: হাবু ও তার দাদাদের পোষা মোট পশু-পাখির সংখ্যা ১৭৫।
২. ‘ক’ স্তম্ভের সঙ্গে ‘খ’ স্তম্ভ মিলিয়ে লেখো :
| ক | খ |
|---|---|
| নালিশ | কাহিল |
| বারণ | উন্মাদ |
| পাগল | সবসময় |
| সদাই | নিষেধ |
| কাবু | অভিযোগ |
উত্তরঃ-
| ক | খ |
|---|---|
| নালিশ | অভিযোগ |
| বারণ | নিষেধ |
| পাগল | উন্মাদ |
| সদাই | সবসময় |
| কাবু | কাহিল |
৩. শব্দগুলি থেকে বিশেষ্য ও বিশেষণ আলাদা করে নিয়ে লেখো :
ক্রুদ্ধ, পোশাক, চওড়া,
থানা, বড়বাবু
৪) ‘কেঁদে কেঁদে’ এরকম একই শব্দকে পাশাপাশি দু’বার ব্যবহার করে নতুন পাঁচটি শব্দ
৫. ক্রিয়ার নীচে দাগ দাও :
৬. বাক্য রচনা করো :
নালিশ, ভগবান, বারণ, করুণ, ভোর।
নালিশ – ছোট ভাইটি মায়ের কাছে দাদার নামে নালিশ করল।
ভগবান – বিপদের সময় মানুষ ভগবানের নাম স্মরণ করে।
বারণ – ডাক্তার আমাকে ঠান্ডা জল খেতে বারণ করেছেন।
করুণ – বৃদ্ধ ভিক্ষুকের করুণ অবস্থা দেখে পথচারীরা সাহায্য করল।
ভোর – ভোর হলেই পাখির ডাক চারদিকে শোনা যায়।
৭. ঘটনার ক্রম অনুযায়ী বাক্যগুলি সাজিয়ে লেখো:
৭.১ হাবু থানার বড়বাবুর কাছে কান্নাকাটি করে নালিশ জানাল।
৭.২ জীবজন্তুর গন্ধে হাবুর প্রাণ যায় যায়।
৭.৩ হাবুরা চারভাই একটা ঘরেই থাকে।
৭.৪ বড়দা সাতটা বেড়াল, মেজদা আটটা কুকুর, সেজদা দশটা ছাগল ও হাবু নিজে দেড়শো পায়রা পোষে।
৭.৫ দারোগাবাবুর উত্তর শুনে হাবু বেজায় কাতর হয়ে পড়ল।
উত্তরঃ-
১. হাবু থানার বড়বাবুর কাছে কান্নাকাটি করে নালিশ জানাল।
২. হাবুরা চারভাই একটা ঘরেই থাকে।
৩. বড়দা সাতটা বেড়াল, মেজদা আটটা কুকুর, সেজদা দশটা ছাগল ও হাবু নিজে দেড়শো পায়রা পোষে।
৪. জীবজন্তুর গন্ধে হাবুর প্রাণ যায় যায়।
৫. দারোগাবাবুর উত্তর শুনে হাবু বেজায় কাতর হয়ে পড়ল।
৮) অন্ত্যমিল যুক্ত পাঁচজোড়া শব্দ :
১০. সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর :
১০.১ ছোটোদের জন্য ছড়া কবিতা লিখেছেন, এমন দুজন কবির নাম লেখো।
উত্তর: ছোটোদের জন্য ছড়া ও কবিতা লিখেছেন এমন দুইজন কবি হলেন সুকুমার রায় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১০.২ তোমার পাঠ্য কবিতাটির কবি কে?
উত্তর: আমাদের পাঠ্য কবিতাটির কবি হলেন ভবানীপ্রসাদ মজুমদার।
১০.৩ তাঁর লেখা দুটি বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: ভবানীপ্রসাদ মজুমদারের লেখা দুটি বই হলো— মজার ছড়া এবং নাম তাঁর সুকুমার।
১১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :
১১.১ হাবু কোথায় গিয়ে কার কাছে নালিশ জানিয়েছিল?
উত্তর: ভবানীপ্রসাদ মজুমদার রচিত দারোগাবাবু এবং হাবু কবিতায় হাবু থানায় গিয়ে বড়োবাবুর কাছে নালিশ জানিয়েছিল।
১১.২ হাবুর বড়দা, মেজদা ও সেজদা ঘরে কী কী পোষেন?
উত্তর: কবিতায় দেখা যায়, হাবুর বড়দা সাতটি বেড়াল, মেজদা আটটি কুকুর এবং সেজদা দশটি ছাগল পোষেন।
১১.৩ হাবুর করুণ অবস্থার জন্য সে নিজেও কীভাবে দায়ী ছিল বলে তোমার মনে হয়?
উত্তর: ভাইদের পোষা পশুদের কারণে ঘরে অসহ্য দুর্গন্ধ হলেও হাবু জানালা-দরজা খুলতে পারত না, কারণ সে নিজেই দেড়শো পায়রা পোষত। দরজা-জানালা খুললে পায়রাগুলি উড়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাই নিজের শখের কারণেই সে কষ্টের জন্য আংশিকভাবে দায়ী।
১১.৪ দারোগাবাবু হাবুকে যে পরামর্শ দিলেন সেটি তার পছন্দ হল না কেন?
উত্তর: দারোগাবাবু ঘরের দরজা-জানালা খুলে রাখার পরামর্শ দেন, কিন্তু এতে হাবুর পোষা পায়রাগুলি উড়ে যেতে পারে বলে সেই পরামর্শ তার পছন্দ হয়নি।
১১.৫ দারোগাবাবুর কাছে হাবু তার যে দুঃখের বিবরণ দিয়েছিল, তা নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তর: হাবু থানায় গিয়ে জানায় যে চার ভাইয়ের সঙ্গে একই ঘরে থাকার ফলে সে ভীষণ অসুবিধায় পড়েছে। বড়দার বেড়াল, মেজদার কুকুর ও সেজদার ছাগলের কারণে ঘরে দুর্গন্ধে থাকা দায় হয়ে উঠেছে। কিন্তু নিজের দেড়শো পায়রা থাকার কারণে সে দরজা-জানালা খুলতেও পারে না। এই অসহায় অবস্থার কথাই সে দারোগাবাবুর কাছে তুলে ধরে।