Explore
Wb Suggestion
Learn Today, Lead Tomorrow

Follow Us

অষ্টম শ্রেণী । অদ্ভুত আতিথেয়তা । গল্পের প্রশ্ন ও উত্তর ।

Enamul Verified
🗓 Posted: 01.02.2026

১। প্রশ্ন দুটির উত্তর লেখো-

উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচিত দুটি গ্রন্থের নাম হলো—
১) বোধোদয়
২) শকুন্তলা

২. নীচের প্রশ্নগুলির একটি বাক্যে উত্তর দাও :

উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পে আরব সেনাপতি ও মুর সেনাপতির প্রসঙ্গ রয়েছে।

উত্তর: উদ্ধৃতাংশে ‘তিনি’ বলতে মুর সেনাপতির কথাই বোঝানো হয়েছে।

উত্তর: এখানে ‘উভয় সেনাপতি’ বলতে আরব সেনাপতি ও মুর সেনাপতির কথা বলা হয়েছে।

উত্তর: আরব সেনাপতির দেওয়া ঘোড়ায় চড়ে মুর সেনাপতি দ্রুত পালিয়ে গেলে উভয়ের প্রাণরক্ষা সম্ভব—এই উপায়ের কথা বক্তা বলেছেন।

উত্তর: সূর্যোদয়ের আগে মুর সেনাপতি পালিয়ে না গেলে আরব সেনাপতিকে পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে বাধ্য হতে হবে বলে বক্তা তাঁকে সত্বর প্রস্থান করার নির্দেশ দেন।

৩. নীচের প্রশ্নগুলির কয়েকটি বাক্যে উত্তর লেখো :

উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পে আরব জাতির অসাধারণ আতিথেয়তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়। শত্রু জেনেও আরব সেনাপতি মুর সেনাপতিকে আশ্রয় দেন, তাঁর আহার-বিশ্রামের ব্যবস্থা করেন এবং অতিথিধর্ম সম্পূর্ণভাবে পালন করেন। এমনকি তিনি জানতে পারেন যে ওই অতিথিই তাঁর পিতার হত্যাকারী, তবু অতিথি থাকাকালীন প্রতিশোধ নেন না। এই ঘটনাই প্রমাণ করে যে আতিথেয়তায় আরব জাতির তুলনা নেই।

উত্তর:
মুর সেনাপতির সঙ্গে কথোপকথনের সময় আরব সেনাপতি বুঝতে পারেন যে তাঁর অতিথিই তাঁর পিতার হত্যাকারী। এই আকস্মিক সত্য উপলব্ধি তাঁকে গভীর মানসিক যন্ত্রণায় ফেলে। একদিকে পিতৃহত্যার প্রতিশোধের আগুন, অন্যদিকে আতিথেয়তার কঠোর ধর্ম—এই দ্বন্দ্বেই তাঁর মন আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। সেই তীব্র মানসিক আঘাতের ফলেই তাঁর মুখ হঠাৎ বিবর্ণ হয়ে যায়।

উত্তর:
এখানে মুর সেনাপতির মনের সন্দেহের কথাই বলা হয়েছে।
আরব সেনাপতি হঠাৎ অসুস্থতার অজুহাতে তাঁর কাছ থেকে সরে যান এবং পরে সংবাদ পাঠান যে ভোরে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে। এই আচরণের অস্বাভাবিকতায় মুর সেনাপতির মনে সন্দেহ জাগে। শত্রুর শিবিরে অবস্থান করার কারণে তাঁর আশঙ্কা আরও বেড়ে যায় এবং তিনি মনে মনে ভাবতে থাকেন যে আরব সেনাপতি কোনো কৌশল রচনা করছেন কি না। এই সন্দেহ নিয়েই তিনি শয়নে যান।

উত্তর:
এখানে আরব সেনাপতি মুর সেনাপতিকে অনুসরণ করছিলেন।
মুর সেনাপতির কাছ থেকে পিতৃহত্যার সত্য জানার পর আরব সেনাপতি প্রতিশোধ নেওয়ার সংকল্প করেন। কিন্তু আতিথেয়তার নিয়মে তিনি অতিথি থাকাকালীন প্রতিশোধ নিতে পারেননি। তাই সূর্যোদয়ের পর প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি মুর সেনাপতিকে দ্রুতগামী ঘোড়ায় বিদায় দিয়ে গোপনে তাঁর অনুসরণ করতে থাকেন। এই অনুসরণই তাঁর প্রতিশোধস্পৃহা ও মানসিক দ্বন্দ্বের পরিচয় বহন করে।

৪. প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো :

প্রসঙ্গ:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পে আরব সেনাপতি তাঁর শিবিরে আশ্রয়প্রার্থী মুর সেনাপতিকে এই কথা বলেন। মুর সেনাপতিকে বিদায় দেওয়ার আগে, তাঁর নিরাপদ প্রস্থান নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই আরব সেনাপতি এই উক্তি করেন।

তাৎপর্য:
মুর সেনাপতি শত্রু হয়েও বিপদে পড়ে আরব সেনাপতির শিবিরে আশ্রয় পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে কথোপকথনের মাধ্যমে আরব সেনাপতি জানতে পারেন যে এই মুর সেনাপতিই তাঁর পিতার হত্যাকারী। তবু আরব জাতির অতিথিধর্ম পালন করতে গিয়ে তিনি ব্যক্তিগত শোক, ক্রোধ ও প্রতিশোধস্পৃহাকে দমন করেন। অতিথির অনিষ্ট না করার জাতীয় ধর্ম মেনে তিনি মুর সেনাপতির সেবা করেন এবং নিরাপদে পালিয়ে যাওয়ার জন্য দ্রুতগামী ঘোড়ার ব্যবস্থাও করেন। এই উক্তির মাধ্যমে আরব সেনাপতির মহান চরিত্র, আত্মসংযম এবং অতুলনীয় আতিথেয়তার পরিচয় ফুটে ওঠে।

প্রসঙ্গ:
গল্পে ভোরবেলায় মুর সেনাপতিকে বিদায় জানানোর সময় আরব সেনাপতি তাঁকে একটি দ্রুতগামী ঘোড়ায় বসিয়ে এই উক্তিটি করেন। বাহ্যত এটি একটি সাধারণ সতর্কবাণী হলেও এর অন্তর্নিহিত অর্থ গভীর।

তাৎপর্য:
আরব সেনাপতি ইতিমধ্যে জানতে পেরেছিলেন যে মুর সেনাপতিই তাঁর পিতার হত্যাকারী। অতিথি থাকাকালীন তিনি আতিথেয়তার ধর্মে বাঁধা পড়ে প্রতিশোধ নিতে পারেননি। কিন্তু মনে মনে তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে অতিথিধর্ম শেষ হলে, অর্থাৎ সূর্যোদয়ের পর তিনি পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেবেন। তাই তিনি ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষায় জানান যে শত্রুশিবিরে অবস্থানরত মুর সেনাপতির সবচেয়ে ভয়ংকর শত্রু তিনিই। এই উক্তির মাধ্যমে আরব সেনাপতির অন্তর্দ্বন্দ্ব—অতিথিধর্ম ও প্রতিশোধস্পৃহার সংঘাত—স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়।

প্রসঙ্গ:
আরব সেনাপতি মুর সেনাপতির সঙ্গে কথোপকথনের সময় আরব জাতির আতিথেয়তার ঐতিহ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই উক্তিটি করেন।

তাৎপর্য:
এই উক্তির মাধ্যমে আরব জাতির জাতীয় ধর্ম ও মূল্যবোধের প্রকৃত পরিচয় পাওয়া যায়। আরবদের কাছে অতিথি সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী—সে শত্রু হলেও তার কোনো অনিষ্ট করা যায় না। গল্পে এর বাস্তব প্রয়োগ দেখা যায় যখন আরব সেনাপতি জানতে পারেন যে মুর সেনাপতিই তাঁর পিতার হত্যাকারী, তবু তিনি অতিথিধর্ম ভঙ্গ করেন না। বরং তাঁর আহার, বিশ্রাম ও নিরাপদ প্রস্থানের ব্যবস্থা করেন। এই উক্তি গল্পের মূল ভাব—অতুলনীয় আতিথেয়তা, আত্মত্যাগ ও নৈতিকতার শ্রেষ্ঠত্ব—প্রকাশ করে।

৫. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :

উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পে একজন আরব সেনাপতির আতিথেয়তার কথা বলা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে দিকভ্রান্ত, রণক্লান্ত ও ক্ষুধার্ত এক মুর সেনাপতি ভুলক্রমে আরব সেনাশিবিরে এসে উপস্থিত হলে আরব সেনাপতি শত্রু জেনেও তাঁকে আশ্রয় দেন। তিনি অতিথির আহার, বিশ্রাম ও নিরাপত্তার সম্পূর্ণ ব্যবস্থা করেন এবং অতিথিধর্ম নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেন।

পরবর্তীকালে বন্ধুভাবে আলাপচারিতার সময় আরব সেনাপতি জানতে পারেন যে এই মুর সেনাপতিই তাঁর পিতার হত্যাকারী। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিশোধ নেওয়া স্বাভাবিক হলেও তিনি তা করেননি, কারণ আরব জাতির ধর্ম অনুযায়ী অতিথির অনিষ্টচিন্তা করা পাপ। বরং তিনি অতিথিকে নিরাপদে নিজ শিবিরে ফিরে যাওয়ার জন্য একটি দ্রুতগামী ঘোড়ার ব্যবস্থা করেন এবং সূর্যোদয়ের আগেই শিবির ত্যাগের সুযোগ করে দেন।

এই আতিথেয়তাকে ‘অদ্ভুত’ বলা হয়েছে কারণ একদিকে পিতৃহত্যার প্রতিশোধস্পৃহা, অন্যদিকে অতিথিধর্ম—এই দুইয়ের মধ্যে থেকেও আরব সেনাপতি নিজের ব্যক্তিগত আবেগ দমন করে মানবিক ও নৈতিক আদর্শকে প্রাধান্য দেন। শত্রু ও পিতৃহন্তাকেও অতিথি হিসেবে সম্মান জানানোর এই দৃষ্টান্ত সত্যিই বিরল ও বিস্ময়কর।

উত্তর:
অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পটি আরব–মুর সংঘর্ষের ইতিহাসাশ্রিত কাহিনিকে ভিত্তি করে রচিত হলেও এটি কেবল যুদ্ধকথা নয়, বরং একটি নৈতিক ও মানবিক আদর্শনির্ভর সাহিত্যকর্ম। বিদ্যাসাগর এই গল্পে ইতিহাসের কাঠামোর মধ্যে মানবিক মূল্যবোধকে দক্ষতার সঙ্গে স্থাপন করেছেন।

লেখকের রচনাশৈলীর প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো নৈতিক দ্বন্দ্বের উপস্থাপনা। আরব সেনাপতির মনে পিতৃহত্যার প্রতিশোধস্পৃহা ও অতিথিধর্ম—এই দুই বিপরীত আবেগের সংঘর্ষ গল্পটিকে গভীর ও নাটকীয় করে তুলেছে। দ্বিতীয়ত, তাঁর ভাষাশৈলী—সাধুভাষা ও তৎসম শব্দের প্রয়োগ—গল্পটিকে গাম্ভীর্য ও ঐতিহাসিক আবহ প্রদান করেছে। ‘পটমণ্ডপদ্বার’, ‘পিপাসাশান্তি’, ‘প্রাণান্ত’ ইত্যাদি শব্দ গল্পের ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, বিদ্যাসাগর ইতিহাসকে বিকৃত না করে তাতে মানবিকতা ও নীতিবোধের আলো ফেলেছেন। এই সংযত, যুক্তিবদ্ধ ও আদর্শনিষ্ঠ রচনাশৈলীর জন্যই অদ্ভুত আতিথেয়তা বাংলা গদ্যসাহিত্যের একটি অনন্য নিদর্শন।

উত্তর:
গল্পের ঘটনাবলি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যায় যে আরব জাতির আতিথেয়তা সত্যিই অতুলনীয়। যুদ্ধরত অবস্থায় এক মুর সেনাপতি শত্রুপক্ষের আরব সেনাশিবিরে আশ্রয় চাইলে আরব সেনাপতি তাঁকে শত্রু জেনেও আশ্রয় দেন। শুধু আশ্রয়ই নয়, তাঁর আহার, বিশ্রাম ও নিরাপত্তার সম্পূর্ণ ব্যবস্থা করেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে তখন, যখন আরব সেনাপতি জানতে পারেন যে ওই মুর সেনাপতিই তাঁর পিতার হত্যাকারী। এই পরিস্থিতিতে প্রতিশোধ নেওয়া সহজ ও স্বাভাবিক হলেও তিনি অতিথিধর্ম ভঙ্গ করেননি। বরং পরদিন ভোরে তাঁর নিরাপদ প্রস্থানের জন্য দ্রুতগামী ঘোড়ার ব্যবস্থা করেন এবং সম্মানের সঙ্গে বিদায় জানান।

আরব সেনাপতির উক্তি—“আমাদের জাতীয় ধর্ম এই, প্রাণান্ত ও সর্বস্বান্ত হইলেও, অতিথির অনিষ্টচিন্তা করি না”—এই গল্পের মূল বক্তব্য। শত্রু ও পিতৃহন্তাকেও অতিথি হিসেবে রক্ষা করার এই মানসিকতাই প্রমাণ করে যে আতিথেয়তার ক্ষেত্রে আরব জাতির তুলনা সত্যিই বিরল। তাই মন্তব্যটি সম্পূর্ণ যথার্থ।

উত্তর:
এখানে আরব সেনাপতি ও মুর সেনাপতির কথাই বলা হয়েছে। যুদ্ধ চলাকালীন এক মুর সেনাপতি দিকভ্রান্ত হয়ে শত্রুপক্ষের আরব সেনাশিবিরে এসে উপস্থিত হন। তিনি রণক্লান্ত ও ক্ষুধার্ত অবস্থায় আশ্রয় প্রার্থনা করলে আরব সেনাপতি তাঁকে সাদরে গ্রহণ করেন। এইভাবেই বিপক্ষ দুই সেনাপতির সাক্ষাৎ ঘটে।

বিশ্রামের সময় উভয়ের মধ্যে বন্ধুভাবে কথোপকথন শুরু হয়। তাঁরা নিজেদের জাতি, পূর্বপুরুষদের বীরত্ব, যুদ্ধকৌশল ও সামরিক গৌরব নিয়ে আলোচনা করেন। এই কথোপকথনের মধ্যেই আরব সেনাপতি জানতে পারেন যে তাঁর অতিথিই তাঁর পিতার হত্যার নির্দেশদাতা। এই সত্য জানা সত্ত্বেও তিনি প্রতিশোধ নেন না এবং অতিথিধর্ম পালন করেন।

এই কথোপকথনের সারমর্ম হলো—শত্রুতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবিকতা ও নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেওয়া। লেখক এই ঘটনার মাধ্যমে দেখিয়েছেন যে প্রকৃত বীরত্ব কেবল অস্ত্রের জোরে নয়, নৈতিক সংযম ও মানবিক আদর্শ রক্ষার মধ্যেই নিহিত।

৬. নীচের শব্দগুলির দলবিশ্লেষণ করে মুক্তদল ও রুদ্ধদল চিহ্নিত করো

শব্দ দলবিশ্লেষণ
সংগ্রাম সং (রুদ্ধদল) গ্রাম্ (রুদ্ধদল)
অশ্বপৃষ্ঠ অশ্ (রুদ্ধদল) শো (মুক্তদল) পৃষ্ (রুদ্ধদল) ঠো (মুক্তদল)
দণ্ডায়মান দন্ (রুদ্ধদল) ডায় (রুদ্ধদল) মান্ (রুদ্ধদল)
করমর্দন কর্ (রুদ্ধদল) মর্ (রুদ্ধদল) দন্ (রুদ্ধদল)
তৎক্ষণাৎ তৎ (রুদ্ধদল) খ (মুক্তদল) ণাৎ (রুদ্ধদল)

৭. নির্দেশ অনুযায়ী বাক্য পরিবর্তন করো

জটিল বাক্যে
আরবেরা তাঁহার অনুসরণে বিরত হইলে, তিনি স্বপক্ষীয় শিবিরের উদ্দেশ্যে গমন করিতে লাগিলেন।
যখন আরবেরা তাঁর অনুসরণে বিরত হল, তখন তিনি স্বপক্ষীয় শিবিরের উদ্দেশ্যে গমন করলেন।
ইতিবাচক বাক্যে
আতিথেয়তা বিষয়ে পৃথিবীতে কোনও জাতিই আরবদিগের তুল্য নহে।
আতিথেয়তা বিষয়ে আরবেরা পৃথিবীর সকল জাতির মধ্যে শ্রেষ্ঠ।
যৌগিক বাক্যে
দ্বারদেশে উপস্থিত হইয়া দেখিলেন, তিনি সজ্জিত অশ্বের মুখরশ্মি ধারণ করিয়া দণ্ডায়মান আছেন।
তিনি দ্বারদেশে উপস্থিত হলেন এবং সজ্জিত অশ্বসহ তাঁকে দণ্ডায়মান অবস্থায় দেখলেন।
প্রশ্নবোধক বাক্যে
এই বিপক্ষশিবির-মধ্যে আমা অপেক্ষা আপনকার ঘোরতর বিপক্ষ আর নাই।
এই বিপক্ষ শিবিরে আমা অপেক্ষা আপনার ঘোরতর বিপক্ষ আর কে আছে?
না-সূচক বাক্যে
তিনি নির্বিঘ্নে স্বপক্ষীয় শিবিরসন্নিবেশ স্থানে উপস্থিত হইলেন।
তিনি স্বপক্ষীয় শিবিরসন্নিবেশ স্থানে পৌঁছাতে কোনো বিঘ্ন পেলেন না।