১. নীচের কোন গ্যাসটি ওজোন স্তরের ক্ষয়ের জন্য প্রধানত দায়ী নয়?
কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রধানত গ্রিনহাউস প্রভাবে গুরুত্বপূর্ণ; ওজোন ক্ষয়ের প্রধান কারণ হিসেবে CFC ও কিছু nitrogen oxide গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশ্ন • উত্তর • Numerical • Chemical Reaction • Final Revision
Part 1 থেকে Part 7 পর্যন্ত ধাপে ধাপে প্রস্তুতি নাও। শুধু উত্তর মুখস্থ না করে Numerical নিজে সমাধান এবং Chemical Equation নিজে লেখার অভ্যাস করো।
Physics ও Chemistry-এর গুরুত্বপূর্ণ বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ও সঠিক উত্তর।
অতি সংক্ষিপ্ত ও সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের পরীক্ষাযোগ্য উত্তর।
ব্যাখ্যা, কারণ, সূত্রের প্রয়োগ ও বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্নের প্রস্তুতি।
বড় প্রশ্ন, বিস্তারিত ব্যাখ্যা, derivation ও application-based প্রস্তুতি।
সূত্র, একক, ধাপভিত্তিক calculation এবং পরীক্ষায় লেখার সঠিক পদ্ধতি।
গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক সমীকরণ, বিক্রিয়া, conversion ও application।
Formula, definition, unit, reaction, common mistakes ও last-minute revision।
পরীক্ষার প্রস্তুতির নিয়ম: Suggestion-এর কোনো প্রশ্নকে ২০২৭-এর নিশ্চিত প্রশ্ন ধরে পড়বে না। Textbook, syllabus এবং previous-year question-এর সঙ্গে মিলিয়ে প্রস্তুতি নেবে।
Physics + Chemistry + Environment • Question & Answer
কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রধানত গ্রিনহাউস প্রভাবে গুরুত্বপূর্ণ; ওজোন ক্ষয়ের প্রধান কারণ হিসেবে CFC ও কিছু nitrogen oxide গুরুত্বপূর্ণ।
প্রচলিত STP-তে ১ মোল আদর্শ গ্যাসের মোলার আয়তন 22.4 L ধরা হয়।
নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের তাপমাত্রা স্থির থাকলে চাপ আয়তনের ব্যস্তানুপাতিক।
চাপ স্থির থাকলে নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক।
O₂-এর আণবিক ভর = 16 × 2 = 32। তাই ১ মোল O₂-এর ভর 32 g।
STP-তে 22.4 L = 1 mol। তাই 11.2 L = 11.2 ÷ 22.4 = 0.5 mol।
তাপ পরিবাহিতাঙ্কের SI একক watt per metre per kelvin, অর্থাৎ W m⁻¹ K⁻¹।
কেলভিন তাপমাত্রা = সেলসিয়াস তাপমাত্রা + 273 (প্রায়)। তাই 0°C ≈ 273 K।
শূন্যস্থানে আলোর বেগের মান প্রায় 3 × 10⁸ m/s।
অবতল দর্পণে বস্তু ফোকাসের বাইরে থাকলে সাধারণত বাস্তব ও উলটো প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।
দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমে আলোর প্রতিসরণের ক্ষেত্রে Snell-এর সূত্র এই সম্পর্কটি প্রকাশ করে।
লেন্সের ক্ষমতার একক ডায়প্টার (D)। P = 1/f সূত্রে f মিটারে নিলে ক্ষমতা ডায়প্টারে পাওয়া যায়।
নির্দিষ্ট ভৌত অবস্থায় পরিবাহকের দুই প্রান্তের বিভবপ্রভেদ V, তড়িৎপ্রবাহ I এবং রোধ R-এর সম্পর্ক V = IR।
তড়িৎপ্রবাহের SI একক ampere (A)।
শ্রেণি সমবায়ে R = R₁ + R₂। তাই R = 2 + 3 = 5 Ω।
সমান্তরাল সংযোগে প্রতিটি শাখার দুই প্রান্ত একই দুটি বিন্দুর সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাই বিভবপ্রভেদ সমান হয়।
বৈদ্যুতিক ক্ষমতার SI একক watt (W)। P = VI সম্পর্কটি এর গুরুত্বপূর্ণ সূত্র।
kWh হলো বৈদ্যুতিক শক্তির বাণিজ্যিক একক।
আলফা কণা মূলত দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।
বিটা ক্ষয়ে ইলেকট্রন (β⁻) বা পজিট্রন (β⁺) নির্গত হতে পারে।
একই পর্যায়ে নিউক্লিয়ার চার্জ বৃদ্ধির ফলে সাধারণত পরমাণুর ব্যাসার্ধ কমে।
গোষ্ঠীতে নীচের দিকে নতুন শক্তিস্তর যুক্ত হওয়ার ফলে পরমাণুর আকার সাধারণত বৃদ্ধি পায়।
Na ইলেকট্রন ত্যাগ করে Na⁺ এবং Cl ইলেকট্রন গ্রহণ করে Cl⁻ তৈরি করে। বিপরীত আধানের আকর্ষণে আয়নিক বন্ধন গঠিত হয়।
দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু একটি করে ইলেকট্রন ভাগ করে নিয়ে সমযোজী বন্ধন গঠন করে।
CaCO₃ → CaO + CO₂। তাই উৎপন্ন গ্যাস হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড।
প্রথাগত সংজ্ঞায় কোনো পদার্থ অক্সিজেন গ্রহণ করলে তাকে জারণ বলা হয়।
অ্যামোনিয়ার একটি অণুতে একটি নাইট্রোজেন ও তিনটি হাইড্রোজেন পরমাণু থাকে।
জলে HCl আয়নিত হয়ে H₃O⁺ এবং Cl⁻ তৈরি করে।
আকরিক থেকে ধাতু নিষ্কাশন, পরিশোধন ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার বিজ্ঞানকে ধাতুবিদ্যা বলা হয়।
হেমাটাইটের প্রধান রাসায়নিক সংকেত Fe₂O₃ এবং এটি লোহার গুরুত্বপূর্ণ আকরিক।
মিথেন হলো সবচেয়ে সরল alkane এবং এর সংকেত CH₄।
ইথিনের সংকেত C₂H₄ এবং দুই কার্বনের মধ্যে একটি C=C দ্বিবন্ধন থাকে।
ইথাইনের সংকেত C₂H₂ এবং এতে দুই কার্বনের মধ্যে ত্রিবন্ধন থাকে।
CH₃OH হলো মিথানল, যা একটি alcohol।
মুক্ত-শৃঙ্খলযুক্ত alkane-এর সাধারণ সংকেত CₙH₂ₙ₊₂।
H₂O-এর আণবিক ভর = (2 × 1) + 16 = 18।
সমীকরণে 2 mol H₂-এর সঙ্গে 1 mol O₂ বিক্রিয়া করে।
কোনো বস্তুর তাপমাত্রা পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ Q = mcΔT।
নির্দিষ্ট তাপ হলো একক ভরের পদার্থের তাপমাত্রা ১ K বাড়াতে প্রয়োজনীয় তাপ।
উত্তল লেন্স সমান্তরাল আলোকরশ্মিকে অভিসারী করে, তাই এটি converging lens।
অবতল লেন্স সমান্তরাল আলোকরশ্মিকে অপসারিত করে, তাই এটি diverging lens।
I = Q/t। তাই I = 1 A এবং Q = 1 C হলে t = 1 s।
বৈদ্যুতিক রোধের SI একক ohm (Ω)।
অস্থিতিশীল নিউক্লিয়াস নিজে থেকেই কণা বা বিকিরণ নির্গত করে স্থিতিশীলতার দিকে যায়।
আধুনিক পর্যায় সূত্র অনুযায়ী মৌলগুলির ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম পারমাণবিক সংখ্যার পর্যাবৃত্ত ফাংশন।
Mg দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Mg²⁺ আয়ন তৈরি করে, তাই Mg-এর যোজ্যতা 2।
সম্পূর্ণ দহনে: CH₄ + 2O₂ → CO₂ + 2H₂O।
বক্সাইট অ্যালুমিনিয়ামের প্রধান আকরিক।
ইথানল একটি alcohol এবং এর রাসায়নিক সংকেত C₂H₅OH।
CH₃COOH হলো ethanoic acid, যা সাধারণভাবে acetic acid নামেও পরিচিত।
Short Answer • Concept • Definition • Formula • Equation
ব্যাখ্যা • কারণ • সূত্র • Numerical • Chemical Reaction
নির্দিষ্ট ভরের কোনো গ্যাসের তাপমাত্রা স্থির থাকলে তার চাপ আয়তনের ব্যস্তানুপাতিক।
অতএব,
অর্থাৎ প্রাথমিক ও চূড়ান্ত অবস্থার জন্য P₁V₁ = P₂V₂।
নির্দিষ্ট ভরের কোনো গ্যাসের চাপ স্থির থাকলে তার আয়তন পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক।
তাই,
অথবা V₁/T₁ = V₂/T₂।
STP-তে 1 mol গ্যাসের আয়তন = 22.4 L।
অতএব, O₂-এর পরিমাণ = 0.5 mol।
কোনো পদার্থের একক ভরের তাপমাত্রা 1 K বৃদ্ধি করতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয় তাকে ওই পদার্থের নির্দিষ্ট তাপ বলে।
নির্দিষ্ট তাপের SI একক হলো J kg⁻¹ K⁻¹।
প্রথম সূত্র: আপতিত রশ্মি, প্রতিসৃত রশ্মি এবং আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব একই সমতলে থাকে।
দ্বিতীয় সূত্র: নির্দিষ্ট দুটি মাধ্যমের জন্য আপতন কোণের sine ও প্রতিসরণ কোণের sine-এর অনুপাত ধ্রুব।
প্রধান অক্ষের সমান্তরাল আলোকরশ্মি উত্তল লেন্সের মধ্য দিয়ে প্রতিসৃত হয়ে প্রধান অক্ষের যে বিন্দুতে মিলিত হয়, তাকে প্রধান ফোকাস বলে।
আলোককেন্দ্র ও প্রধান ফোকাসের মধ্যবর্তী দূরত্বকে ফোকাল দৈর্ঘ্য বলে।
দেওয়া আছে,
লেন্সের ক্ষমতা,
অতএব, লেন্সের ক্ষমতা = +5 D।
তাপমাত্রা ও অন্যান্য ভৌত অবস্থা স্থির থাকলে কোনো পরিবাহকের দুই প্রান্তের বিভবপ্রভেদ তার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎপ্রবাহের সমানুপাতিক।
এখানে R হলো পরিবাহকের রোধ।
শ্রেণি সমবায়ে তুল্য রোধ,
অতএব, তুল্য রোধ = 10 Ω।
কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র যে হারে বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহার করে তাকে তার ক্ষমতা বলে।
বৈদ্যুতিক বর্তনীতে,
ক্ষমতা = 100 W = 0.1 kW।
অতএব, খরচ হওয়া শক্তি = 0.5 kWh।
অতিরিক্ত তড়িৎপ্রবাহ হলে বর্তনী বিচ্ছিন্ন করে বৈদ্যুতিক যন্ত্র ও তারকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা ফিউজের প্রধান কাজ।
একই পর্যায়ে বাম থেকে ডানে গেলে কার্যকর নিউক্লীয় আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়।
জারণ ও বিজারণ সাধারণত একই সঙ্গে ঘটে। কোনো পদার্থ ইলেকট্রন ত্যাগ করলে জারণ এবং অন্য পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহণ করলে বিজারণ ঘটে।
এখানে Zn জারিত এবং Cu²⁺ বিজারিত হয়েছে।
শিল্পক্ষেত্রে উপযুক্ত উচ্চ চাপ, প্রায় 450°C তাপমাত্রা এবং লোহার অনুঘটকের সাহায্যে অ্যামোনিয়া প্রস্তুত করা হয়।
উৎপন্ন হলুদ অধঃক্ষেপটি হলো Lead iodide (PbI₂)।
অ্যালুমিনিয়াম খুব সক্রিয় ধাতু হওয়ায় এর অক্সাইড কার্বন দ্বারা সহজে বিজারিত হয় না। তাই গলিত অ্যালুমিনা বা উপযুক্ত electrolyte-এর তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে অ্যালুমিনিয়াম নিষ্কাশন করা হয়।
ক্যাথোডে Al³⁺ আয়ন ইলেকট্রন গ্রহণ করে অ্যালুমিনিয়াম উৎপন্ন করে।
অশুদ্ধ তামাকে অ্যানোড এবং বিশুদ্ধ তামার পাতকে ক্যাথোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
উপযুক্ত copper salt-এর দ্রবণ electrolyte হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তড়িৎপ্রবাহ চালালে অ্যানোডের তামা দ্রবীভূত হয়ে ক্যাথোডে বিশুদ্ধ তামা জমা হয়।
পর্যাপ্ত অক্সিজেনের উপস্থিতিতে মিথেনের সম্পূর্ণ দহনে কার্বন ডাই-অক্সাইড, জল ও তাপ উৎপন্ন হয়।
ইথিনে কার্বন-কার্বনের মধ্যে দ্বিবন্ধন থাকে, আর ইথাইনে ত্রিবন্ধন থাকে।
H₂O-এর মোলার ভর = 18 g mol⁻¹।
1 mol-এ অণুর সংখ্যা = 6.022 × 10²³।
অতএব, 18 g জলে 1 mol বা 6.022 × 10²³টি H₂O অণু থাকে।
H₂-এর মোলার ভর = 2 g mol⁻¹।
সমীকরণ অনুযায়ী 2 mol H₂ থেকে 2 mol H₂O উৎপন্ন হয়।
অতএব, উৎপন্ন জল = 36 g।
দেওয়া আছে: R = 6 Ω, I = 2 A।
ওহমের সূত্র অনুযায়ী,
ক্ষমতা,
অতএব, বিভবপ্রভেদ = 12 V এবং ক্ষমতা = 24 W।
Analytical • Numerical • Reasoning • Chemical Reaction
বয়েলের সূত্র অনুযায়ী নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের তাপমাত্রা স্থির থাকলে,
আবার চার্লসের সূত্র অনুযায়ী চাপ স্থির থাকলে,
দুটি সম্পর্ক একত্র করলে,
অতএব,
তাই দুটি অবস্থার জন্য,
দেওয়া আছে:
সম্মিলিত গ্যাস সূত্র থেকে,
অতএব নতুন আয়তন = 16 L।
কোনো বস্তুর ভর m, নির্দিষ্ট তাপ c এবং তাপমাত্রা পরিবর্তন ΔT হলে প্রয়োজনীয় তাপ Q।
এখান থেকে,
অর্থাৎ একক ভরের কোনো পদার্থের তাপমাত্রা 1 K বৃদ্ধি করতে যে পরিমাণ তাপ প্রয়োজন তাকে নির্দিষ্ট তাপ বলে।
নির্দিষ্ট তাপের SI একক হলো J kg⁻¹ K⁻¹।
প্রথম সূত্র অনুযায়ী আপতিত রশ্মি, প্রতিসৃত রশ্মি এবং আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব একই সমতলে থাকে।
দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী নির্দিষ্ট দুটি মাধ্যমের জন্য sin i/sin r ধ্রুব।
শূন্যস্থানে আলোর বেগ c এবং কোনো মাধ্যমে আলোর বেগ v হলে,
তাই প্রতিসরাঙ্ক যত বেশি, সেই মাধ্যমে আলোর বেগ সাধারণত তত কম।
দেওয়া আছে,
লেন্সের ক্ষমতা,
অতএব ক্ষমতা = +4 D।
ক্ষমতা ধনাত্মক হওয়ায় এটি একটি উত্তল বা অভিসারী লেন্স।
যে দৃষ্টিদোষে দূরের বস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না, কিন্তু কাছের বস্তু তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট দেখা যায়, তাকে মায়োপিয়া বা হ্রস্বদৃষ্টি বলে।
কারণ:
প্রতিকার: উপযুক্ত ক্ষমতার অবতল বা concave lens ব্যবহার করা হয়।
শ্রেণি সমবায়:
সমান্তরাল সমবায়:
অতএব শ্রেণিতে তুল্য রোধ = 10 Ω এবং সমান্তরালে = 2.4 Ω।
বৈদ্যুতিক শক্তির বাণিজ্যিক একক হলো kilowatt-hour বা kWh।
100 W = 0.1 kW।
অতএব যন্ত্রটি 1 kWh শক্তি ব্যবহার করবে।
চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপিত তড়িৎবাহী পরিবাহকের ওপর বল ক্রিয়া করে—এই নীতির ওপর বৈদ্যুতিক মোটর কাজ করে।
মোটরে তড়িৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
ব্যবহার: বৈদ্যুতিক পাখা, জল তোলার পাম্প, মিক্সার ইত্যাদিতে বৈদ্যুতিক মোটর ব্যবহৃত হয়।
কোনো ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস নিউট্রনের আঘাতে দুই বা ততোধিক হালকা নিউক্লিয়াসে বিভক্ত হলে তাকে নিউক্লীয় বিভাজন বলে।
এই প্রক্রিয়ায় প্রচুর তাপশক্তি এবং অতিরিক্ত নিউট্রন উৎপন্ন হয়। নিয়ন্ত্রিত chain reaction বজায় রেখে এই তাপ ব্যবহার করে জলকে বাষ্পে পরিণত করা হয়।
বাষ্প টারবাইন ঘুরিয়ে জেনারেটরের সাহায্যে বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপন্ন করা হয়।
আধুনিক পর্যায় সূত্র অনুযায়ী মৌলগুলির ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম তাদের পারমাণবিক সংখ্যার পর্যাবৃত্ত ফাংশন।
এর প্রধান কারণ হলো কার্যকর নিউক্লীয় আকর্ষণের বৃদ্ধি।
সোডিয়ামের ইলেকট্রন বিন্যাস 2,8,1। তাই এটি একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Na⁺ গঠন করে।
ক্লোরিনের ইলেকট্রন বিন্যাস 2,8,7। এটি একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে Cl⁻ গঠন করে।
বিপরীত আধানযুক্ত Na⁺ ও Cl⁻-এর মধ্যে তড়িৎস্থির আকর্ষণের ফলে NaCl-এ আয়নিক বন্ধন গঠিত হয়।
কোনো পদার্থ ইলেকট্রন ত্যাগ করলে তাকে জারণ এবং ইলেকট্রন গ্রহণ করলে বিজারণ বলা হয়।
এখানে Zn ইলেকট্রন ত্যাগ করে Zn²⁺-এ পরিণত হয়, তাই Zn জারিত হয়েছে।
Cu²⁺ ইলেকট্রন গ্রহণ করে Cu-তে পরিণত হয়েছে, তাই Cu²⁺ বিজারিত হয়েছে।
এই বিক্রিয়ায় প্রধানত লোহার অনুঘটক ব্যবহৃত হয়।
বিক্রিয়াটি উভমুখী হওয়ায় উৎপন্ন NH₃ আলাদা করে equilibrium-কে উৎপাদনের দিকে এগিয়ে নেওয়া হয়।
যে প্রাকৃতিক খনিজ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু নিষ্কাশন করা যায় তাকে আকরিক বলে।
আকরিকের সঙ্গে মিশে থাকা অপ্রয়োজনীয় মাটি, পাথর ইত্যাদিকে গ্যাং বলে।
সাধারণভাবে ধাতু নিষ্কাশনের ধাপগুলি হলো—
তড়িৎপ্রবাহ চালালে অ্যানোডের তামা দ্রবীভূত হয়ে Cu²⁺ আকারে দ্রবণে যায় এবং ক্যাথোডে বিশুদ্ধ তামা হিসেবে জমা হয়।
অদ্রবণীয় অমেধ্য নিচে anode mud হিসেবে জমা হতে পারে।
পর্যাপ্ত অক্সিজেনের উপস্থিতিতে মিথেনের সম্পূর্ণ দহনে CO₂ ও H₂O উৎপন্ন হয়।
অক্সিজেনের ঘাটতি হলে অসম্পূর্ণ দহন ঘটতে পারে এবং CO বা কার্বন উৎপন্ন হতে পারে।
অসম্পূর্ণ দহনে বিষাক্ত CO উৎপন্ন হওয়ার কারণে এটি বিশেষভাবে বিপজ্জনক।
১. সোডিয়ামের সঙ্গে বিক্রিয়া:
২. জারণ:
ব্যবহার: দ্রাবক, জীবাণুনাশক ও জ্বালানি হিসেবে ইথানল ব্যবহৃত হয়।
STP-তে 22.4 L O₂ = 1 mol।
সমীকরণ অনুযায়ী 1 mol O₂ থেকে 2 mol H₂O উৎপন্ন হয়। তাই 0.5 mol O₂ থেকে,
1 mol H₂O-এর ভর = 18 g।
অতএব উৎপন্ন জলের ভর = 18 g।
হিটারের ক্ষমতা,
মোট ব্যবহারের সময়,
বৈদ্যুতিক শক্তি,
প্রতি ইউনিটের মূল্য ₹6 হলে,
অতএব মোট শক্তি খরচ = 60 ইউনিট এবং মোট খরচ = ₹360।
সূত্র • ধাপে ধাপে সমাধান • একক • Final Answer
দেওয়া আছে:
বয়েলের সূত্র অনুযায়ী,
উত্তর: 2 L
চার্লসের সূত্র,
উত্তর: 900 mL
STP-তে 1 mol গ্যাসের আয়তন = 22.4 L।
উত্তর: 2 mol CO₂
উত্তর: 2.52 × 10⁵ J
সূত্র,
উত্তর: 2 × 10⁸ m/s
উত্তর: +2 D
উত্তর: 24 V
উত্তর: 3 A
উত্তর: 15 Ω
উত্তর: 2 Ω
উত্তর: 2 kWh বা 2 ইউনিট
উত্তর: 5 A
উত্তর: 2 mol
উত্তর: 16 g
1 mol-এ অণুর সংখ্যা = 6.022 × 10²³।
উত্তর: 1.2044 × 10²⁴টি CO₂ অণু
H₂-এর মোলার ভর = 2 g/mol।
সমীকরণ অনুযায়ী 2 mol H₂ থেকে 2 mol H₂O।
উত্তর: 36 g H₂O
উত্তর: 0.25 mol
উত্তর: 1 kWh বা 1 ইউনিট
জুলের সূত্র,
উত্তর: 12000 J
অর্থাৎ মোট বিদ্যুৎ খরচ = 33 ইউনিট।
চূড়ান্ত উত্তর: 33 ইউনিট এবং ₹231
Concept • Reason • Difference • Formula • Reaction
কেলভিন স্কেলে প্রকাশিত তাপমাত্রাকে পরম তাপমাত্রা বলে। সেলসিয়াস ও কেলভিন স্কেলের সম্পর্ক:
প্রচলিত স্কুল-স্তরের gas-law সমস্যায় STP বলতে 0°C বা 273 K তাপমাত্রা এবং 1 atm চাপকে বোঝানো হয়। এই অবস্থায় 1 mol আদর্শ গ্যাসের আয়তন 22.4 L ধরা হয়।
তাপমাত্রা স্থির থাকলে চাপ বাড়লে গ্যাসের আয়তন কমে। এটি বয়েলের সূত্রের ফল।
তাপ হলো শক্তির স্থানান্তর, কিন্তু তাপমাত্রা কোনো বস্তুর উষ্ণতার মাত্রা নির্দেশ করে।
জলের নির্দিষ্ট তাপ বেশি হওয়ায় জল ধীরে উত্তপ্ত ও ধীরে ঠান্ডা হয়। তাই সমুদ্রের কাছাকাছি অঞ্চলের তাপমাত্রার পরিবর্তন তুলনামূলকভাবে কম।
ধাতু তাপের ভালো পরিবাহক। তাই হাত থেকে তাপ দ্রুত ধাতুর দিকে চলে যায়। কাঠ তাপের খারাপ পরিবাহক হওয়ায় একই তাপমাত্রায় কাঠ তুলনামূলক কম ঠান্ডা অনুভূত হয়।
এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে প্রবেশের সময় আলোর বেগ পরিবর্তিত হয়। ফলে আলোর গতিপথের পরিবর্তন ঘটে, যাকে প্রতিসরণ বলে।
এখানে c হলো শূন্যস্থানে আলোর বেগ এবং v হলো সংশ্লিষ্ট মাধ্যমে আলোর বেগ।
প্রধান অক্ষের সমান্তরাল আলোকরশ্মি উত্তল লেন্সের মধ্য দিয়ে প্রতিসরণের পর প্রধান ফোকাসের দিকে মিলিত হয়। তাই তাকে অভিসারী লেন্স বলা হয়।
লেন্সের ক্ষমতার SI একক হলো dioptre (D)।
এখানে f মিটারে প্রকাশ করতে হয়।
মায়োপিয়া বা হ্রস্বদৃষ্টি সংশোধনের জন্য উপযুক্ত ক্ষমতার অবতল বা concave lens ব্যবহার করা হয়।
এখানে V = বিভবপ্রভেদ, I = তড়িৎপ্রবাহ এবং R = রোধ।
রোধের SI একক হলো ওহম (Ω)।
অর্থাৎ শ্রেণি সমবায়ে সব রোধের মান যোগ হয়।
সমান্তরাল সংযোগে প্রতিটি যন্ত্রের দুই প্রান্তে একই বিভবপ্রভেদ থাকে এবং একটি যন্ত্র বন্ধ বা নষ্ট হলেও অন্য যন্ত্রগুলি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।
এছাড়া,
অতিরিক্ত তড়িৎপ্রবাহ বা short circuit-এর মতো অবস্থায় ফিউজ গলে বর্তনী বিচ্ছিন্ন করে বৈদ্যুতিক যন্ত্র ও wiring-কে সুরক্ষা দেয়।
তড়িৎবাহী পরিবাহকের চারপাশে একটি চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়।
বৈদ্যুতিক মোটর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
অস্থিতিশীল পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে α, β বা γ বিকিরণ নির্গত হওয়ার ঘটনাকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
γ রশ্মি তড়িৎচৌম্বক বিকিরণ এবং এর কোনো বৈদ্যুতিক আধান নেই। এর ভেদন ক্ষমতা α ও β রশ্মির তুলনায় বেশি।
সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রের অভ্যন্তরে অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রা ও চাপে নিউক্লীয় সংযোজন ঘটে।
মৌলগুলির ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম তাদের পারমাণবিক সংখ্যার পর্যাবৃত্ত ফাংশন—এটাই আধুনিক পর্যায় সূত্র।
সাধারণত বাম থেকে ডানে গেলে পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমে।
নতুন নতুন ইলেকট্রন স্তর যুক্ত হওয়ার ফলে উপর থেকে নিচে গেলে পারমাণবিক ব্যাসার্ধ সাধারণত বৃদ্ধি পায়।
বিপরীত আধানযুক্ত আয়নের মধ্যে তড়িৎস্থির আকর্ষণের ফলে যে রাসায়নিক বন্ধন গঠিত হয় তাকে আয়নিক বন্ধন বলে।
দুটি পরমাণুর মধ্যে এক বা একাধিক ইলেকট্রন যুগল ভাগাভাগির মাধ্যমে যে বন্ধন গঠিত হয় তাকে সমযোজী বন্ধন বলে।
ইলেকট্রন ত্যাগের ঘটনাকে জারণ বলা হয়। প্রচলিতভাবে অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হওয়া বা হাইড্রোজেন অপসারণকেও জারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
ইলেকট্রন গ্রহণের ঘটনাকে বিজারণ বলা হয়। প্রচলিতভাবে অক্সিজেন অপসারণ বা হাইড্রোজেনের সঙ্গে যুক্ত হওয়াকেও বিজারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
জারণ ও বিজারণ একই সঙ্গে ঘটলে তাকে জারণ-বিজারণ বা Redox reaction বলে।
Haber পদ্ধতিতে শিল্পক্ষেত্রে অ্যামোনিয়া (NH₃) প্রস্তুত করা হয়।
HCl-এর জলীয় দ্রবণকে Hydrochloric acid বা হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড বলা হয়।
Lead iodide বা PbI₂-এর অধঃক্ষেপ সাধারণত উজ্জ্বল হলুদ বর্ণের।
যে প্রাকৃতিক খনিজ থেকে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক পদ্ধতিতে কোনো ধাতু নিষ্কাশন করা যায় তাকে সেই ধাতুর আকরিক বলে।
আকরিকের সঙ্গে থাকা অপ্রয়োজনীয় মাটি, বালি, পাথর ইত্যাদি অমেধ্যকে গ্যাং বলা হয়।
ক্যাথোডে সাধারণত বিজারণ ঘটে, অর্থাৎ ধনায়ন ইলেকট্রন গ্রহণ করে।
অ্যানোডে সাধারণত জারণ ঘটে, অর্থাৎ ইলেকট্রন ত্যাগ হয়।
অশুদ্ধ তামাকে অ্যানোড এবং বিশুদ্ধ তামার পাতকে ক্যাথোড করা হয়।
ইথিনে কার্বন-কার্বনের মধ্যে একটি দ্বিবন্ধন (C=C) থাকে।
ইথানলের সঙ্গে সোডিয়ামের বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন (H₂) গ্যাস উৎপন্ন হয়।
এখানে H হলো উৎপন্ন তাপ, I তড়িৎপ্রবাহ, R রোধ এবং t সময়।
এখানে m = ভর, c = নির্দিষ্ট তাপ এবং ΔT = তাপমাত্রার পরিবর্তন।